সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Recent Writing

TOP X

 সকাল সকাল মোবাইলের রিংটনে ঘুম ভেঙ্গে গেল। অনুর ফোন! এতো সকালে? “কি অবস্থা এতো সকা……” ভ্যা ভ্যা করে কান্নার শব্দ আসছে। “কি হইছে?” “দাদা……” আবারো ভ্যা ভ্যা করে কান্নার শব্দ, “আরে কি হইছে? কান্না করতেছো কেন?” “দাদা, অভি, অভি……”  “আরে এতো কান্না করলে তো কথাই বলতে পারবা না। আর অভি তো ঘুমাচ্ছে।” “দাদা, অভি আমার সাথে ব্রেকাপ করেছে!” “কি!!!” অনুস্মিতা কানতে কানতে বললো, “সকালে উঠে দেখি অভির ম্যাসেজ। ম্যাসেজটা আপনাকে ফরোয়ার্ড করে দিচ্ছি। কি হয়েছে ওর কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে দিয়েছে!” “আগের দিন ঝগড়া হয়েছিলো? তোমাদের তো দুই দিন পর পর খালি ঝগড়া!” “না দাদা, আমাদের গত ২/৩ মাস ধরে কোন সমস্যা হয়নি। আজ সকালে উঠে দেখি অভির ম্যাসেজ! তারপর…” “আচ্ছা, ফোন রাখো, দেখছি কি হয়েছে!” অভিজিৎ আমার ছোটভাই, আর অনুষ্মিতা ওর গার্লফ্রেন্ড। অনুষ্মিতা আমার ছোট বোনের মতো, আমাদের পরিবার সাথে ওদের পরিবারের বিশাল ভালো সম্পর্ক। আমার দেখা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর সম্পর্কের মধ্যে ওদেরটা একটা। আমার ধারণা ছিল পৃথিবীর সবার সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলেও ওদেরটা ভাঙ্গবে না। কিন্তু আমার ধারণাকে ভেঙ্গে দিয়ে কি হয়ে ...

হ তে হাবি-র-ল - ০৫

১৯৭১ ... মাঝরাত ..   পাশের   বাড়ির   খলুর   বা ' পের হাপানীর   আওয়াজ   শোনা   যাচ্ছে। এই   বুড়োলোক   অর্ধেক   রাত   পর্যন্ত   এমন   হাপাতে   থাকে   বাকি   রাত   ঘুমায়।   বাথরুমের প্রচন্ড   চাপ   দিছে ,  সন্ধ্যাবেলা   বাসি   মুগডালের   ভর্তা   খাওয়াটা   ঠিক   হয় নাই। না,   আর   সম্ভব   না   চাইপা রাখা।   হারিকেনের   আলো   নিভুনিভু   করতাছে ,  ঘূর্ণিটা   টা   দিয়ে   শলতের   মাথাটা   বড়   করে   নিলাম।   বাগানের   মধ্যে   যাচ্ছি।   রাতের   বেলা   বাগানের   মধ্যে   যাইতে   ভয়   লাগে। ওইদিন   মতি   কাকুর   মেয়ে   আয়েশা   রাতের   বেলা   বাগানে   আইছিলো ,  তিনডা   শয়তান   পোলা   ওরে   টাইনা   নিয়ে   চলে   গেছে।   সকাল   ব...

হ তে হাবি-র-ল - ০৪

  হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে গেল। কেবিন থেকে বের হয়ে দেখি লঞ্চ কেরানীগঞ্জ ঘাট দেওয়া। এই লঞ্চগুলোর একটা অসুবিধা ডেকের যাত্রী নামানোর পর খালের অপর পাশে নিয়ে যায়। লঞ্চ থেকে নেমে নৌকায় উঠলাম। মাঝি অপেক্ষা করছে আরো এক দুইজন যাত্রীর আশায়। সাদা পাঞ্জাবি পরা, ৪০ বছরের আশেপাশের একজন লোক আসছে। কাধে পোটলা টাইপের কিছু একটা, হাতে আরেকটা পোটলা আর তার পিছনে তার স্ত্রী, পরনে গায়ে হলুদের হলদে শাড়ি। শাড়ির হলদে রংটা রোদে পোড়ার কারণে হালকা সাদা রূপ ধারণ করেছে। লোকটা দপ করে নৌকায় উঠে গেল। পোটলা দুইটা রেখে রাগান্বিত কণ্ঠে স্ত্রীকে ঢাকলো, -'ওই মাগী, তাড়াতাড়ি আহস না ক্যা, তোর লইজ্ঞা কি হারাদিন এহানে অপেক্ষা করমু নাকি?' স্ত্রীর মুচকি হাসতে হাসতে নৌকায় উঠে আসলো। ভাবে বোঝা গেল তার স্বামীর 'মাগী' ডাক শুনতে যে যথেষ্ট অভস্ত্য এবং স্বাচ্ছন্যবোধ করে। লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে পান ভরা গালে দাতখানা বের করে বিশ্রীভাবে হেসে দিল। -' ভাইসাহেব কিছু মনে কইরেন না, ওরে আবার মাগী না ডাকলে শুনে না।' নৌকা থেকে নেমে হাটতে হাটতে চলে আসলাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। পেটে প্রচন্ড ক্ষুধা, রাতে কিছু খাওয়া হয়নি। পাশে একটা খোলা খাবারে...